Surprising Benefits of Exercise

Physical Exercise Is Going To Boost Your Cardiovascular Health.

Keeping Smile!

When someone is rude, keep a smile on your face. When you stay on the right road and keep your joy, you take away their power.

Yoga postures to relieve menstrual cramps

Many women suffer abdominal cramps during their menstrual cycles. At times, the cramps are combined with shooting or burning sensations in the lower abdomen. Nausea is also common during periods in females.

Health Benefits of Running

The health benefits of running include weight loss, a youthful appearance, prevention of muscle and bone loss, growth hormone enhancement, the prevention of stroke, diabetes, and hypertension. It also lowers high cholesterol level, improves blood clotting, boosts the immune system, reduces stress, and enhances mood.

Friday, October 4, 2019

বয়স ধরে রাখতে ৭ উপায়!

মানুষের বয়সের ছাপ প্রথমে পড়ে মুখের ত্বকে। ত্বকে ভাজ পড়তে থাকে। ত্বক বুড়িয়ে যায়। ডাক্তারের কাছে না গিয়েও আপনি রাখতে পারেন ত্বক সৃন্দর সতেজ, যেখানে থাকবে না বয়সের ছাপ। এজন্য আপনাকে নূন্যতম সাতটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে।


এসব নিয়ম নির্দেশনা সমূহ হচ্ছে:

১. সূর্যের আলো ত্বকের ক্ষতি করে। তাই সকাল ১০টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত সূর্যের আলো পরিহার করুন। প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর মধ্য মাত্রার সানব্লক ব্যবহার করুন।

২. ধূমপান ছেড়ে দিন। ধূমপানের ফলে ত্বকের মসৃণতা কমতে থাকে এবং ত্বক বুড়িয়ে যায়।

৩. ত্বকের পরির্চায় বা গোসলের সময় অতিমাত্রায় গরম পানি পরিহার করুন। অধিক ক্ষারযুক্ত সাবান পরিহার করুন। প্রতিদিন একটি ভালো ক্লিনজার ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

৪. স্বাস্থ্যসম্মত আহার করুন এবং খাদ্য তালিকায় শাকসবজি, ফল রাখুন, প্রচুর পানি পান করুন। মাছ খান। রেডমিট পরিহার করুন, ভাত কম খান।

৫. সর্বোপরি মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন। মানসিক চাপ থেকে ত্বকে ভাজ পড়ে এবং ত্বকে বুড়িয়ে যেতে পারে। সর্বদা হাসি খুশি থাকতে চেষ্টা করুন।

৬. হঠাৎ রেগে গিয়ে কপাল কুচকাবেন না। প্রতিদিন কপাল কুচকাতে থাকলে কম বয়সে ত্বকে ভাজ পড়তে শুরু করে।

৭. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। অন্তত সপ্তাহে পাঁচ দিন। উপরের এ সাতটি নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই আপনার ত্বক সুন্দর, সজীব ও আকর্ষণীয় থাকতে সহায়ক হবে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Tuesday, August 27, 2019

ব্যায়ামের জানা-অজানা উপকারীতা!

আমরা সবাই বলি ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা উপকারী। কিন্তু কতটুকু উপকারী, তা অনেকেই জানি না। নিয়মিত ব্যায়াম করলে নানা রকম দীর্ঘ মেয়াদী রোগব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়, ওজন কমানো যায়, ভালো ঘুম হয় আর মানসিক প্রশান্তি আসে।


নিচে ব্যায়াম করার বেশ কিছু উপকারীতা আপনাদের সাথে শেয়ার করলামঃ

ব্যায়াম মনকে চাঙ্গা করেঃ ব্যায়াম করলে মস্তিস্ক থেকে নানা রকম রাসয়নিক পদার্থ নির্গত হয়। এসব রাসায়নিক উপাদান চিত্ত প্রফুল্ল করে এবং শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি চেহারায় লাবণ্য ও ওজ্জ্বল্য বাড়ায়। যিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাকে বিষন্নতা কিংবা হতাশা সহজে হ্রাস করতে পারে না।

রোগ প্রতিরোধ করেঃ আধুনিক জীবনে শারীরিক পরিশ্রমের পরিমান কমে গিয়েছে, অর্থাৎ হাটাহাটির প্রয়োজন হয় না বললেই চলে আর আমাদের খাদ্যাভ্যাসও বদলে গিয়েছে। ফলে দিনে দিনে ক্রনিক রোগ ব্যাধি যেমনঃ হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, অস্থিক্ষয়, ক্যানসার ইত্যাদি প্রকোপ বহুগুণে বেড়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম এগুলো প্রতিরোধ করে।

শরীরের বাড়তি ওজন কমায়ঃ বাড়তি ওজন কমাতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। শারীরিক চর্চা করলে ক্যালরি খরচ হয়। এভাবে আমরা যতই ব্যায়াম করবো ততই আমাদের ক্যালরী খরচ হবে এবং যার ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

কর্মস্পৃহা বাড়ায়ঃ ব্যায়ামের ফলে আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অতিরিক্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবারাহ হয়। এর ফলে আমাদের হৃদযন্ত্র ও রক্তলালি সচল থাকে। এর ফলে সমস্ত শরীরে একটি সুস্থ প্রাণস্পন্দন ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। এটা আমাদের কর্মস্পৃহা বাড়ায়।

সুনিন্দ্রা আনেঃ যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাদের জন্য ব্যায়াম অত্যান্ত উপকারী। ব্যায়াম অনিন্দ্র দুর করে, অতি নিদ্রা হ্রাস করে। অবশ্য একেবারে ঘুমানোর আগে ব্যায়াম করা উচিত নয়। কারণ ব্যায়ামের পরে মানসিক চাঙা ভাবের কারণে ঘুম আসা বিলম্বিত হতে পারে।

যৌন জীবনের জন্য উপকারীঃ যাদের যৌনজীবনে জড়তা কিংবা অনাগ্রহ এসেছে, তাদের জন্য ব্যায়াম অত্যান্ত উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম করলে যৌনস্পৃহা বাড়ে, যৌন মিলনের স্থায়ীত্বকাল বৃদ্ধি পায় এবং দাম্পত্য জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

ব্যায়ামের বিকল্পঃ যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করার সময় না পান তাহলে নিয়মিত সালাত আদায় করুন। কারণ আমার জানা মতে, ব্যায়াম থেকে যে সব উপকারীতা পাওয়া যায় তার থেকে বেশী উপকারীতা পাওয়া যায় নিয়মিত সালাত আদায় করলে। আর তাছাড়া প্রত্যেক মুসলাম নর-নারীর উপর সালাত ফরজ।

সুতরাং বুঝায়ই যাচ্ছে যে সুস্থ দেহ ও মনের বিকাশের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম কতখানি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আসুন নিয়মিত সালাত আদায় করি এবং ব্যায়াম করি।


[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, January 16, 2019

বৈদ্যুতিক শক!

মাঝে মধ্যে বাড়ির ছোটখাট বৈদ্যুতিক কাজ নিজেকে করতে হয়৷ বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে কখনো কখনো অসতর্কতাবশত কোনো দুর্ঘটনা হয়ে যেতে পারে৷


কেউ বিদ্যুস্পৃষ্ট হলে করণীয়ঃ
এমন বৈদ্যুতিক শকের ঘটনা যদি হঠাৎ ঘটে যায় তাহলে এ সময় ঘাবড়ে না গিয়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে।


এ সময় উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে সেই দুর্ঘটনাকবলিত ব্যক্তিকে আপনি রক্ষা করতে পারেন।

✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে হাত দেওয়া যাবে না।
✬ বৈদ্যুতিকসুইচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে৷


✬ সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলেশুকনো খবরের কাগজউলের কাপড়শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে বৈদ্যুতিক্‌স্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বৈদ্যুতিক তার থেকে ধাক্কা দিয়ে আলাদা করতে হবে৷
✬ ধাক্কা দেওয়া এবং সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে দ্রুত বৈদ্যুতিক অফিসে খবর দিতে হবে৷
✬ বৈদ্যুতিক্‌স্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে যতক্ষণ না তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়৷ দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে৷
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বিদ্যুতের উৎস থেকে সরাতে পারলে সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তিকে গরম দুধ ও গরম পানি খাওয়াতে হবে। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন দ্রুত স্বাভাবিক হবে।
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির হৃদপিণ্ড যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে৷
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির গলা, বুক ও কোমরের কাপড় ঢিলা করে দিতে হবে।
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকলেও তাকে অন্তত এক ঘণ্টা চুপ করে শুয়ে বিশ্রাম নিতে হবে৷ 

রোগির বিদ্যুতায়িত হওয়ার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অবস্থা বেশি খারাপ হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে নিতে হবে। এভাবে বৈদ্যুতিক শক খাওয়া ব্যক্তিকে সুস্থ্ করে তোলা সম্ভব।


সতর্কতাঃ

✬ ভেজা শরীরে বা হাতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ধরা যাবে না৷
✬ ভেজা জায়গায় দাঁড়িয়ে  বিদ্যুতের কাজ করা যাবে না৷
✬ বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় অবশ্যই রাবারের জুতা পরে নিতে হবে৷
✬ প্রয়োজনে বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ করে কাজ করতে হবে৷
✬ খোলা তার এড়িয়ে চলুন, বর্ষায় জল জমে থাকা রাস্তার ভেতরে খালি পায়ে বা রাবার, স্পঞ্জ ভিন্ন অন্য উপাদানের জুতো পরে হাঁটাচলা করবেন না।
✬ বাড়ির সব ক’টি বৈদ্যুতিক তার ও আর্থিং ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখে নিন।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, January 9, 2019

বুকে ব্যথা মানেই হার্টের সমস্যা নয়!!

হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথা হলে যাকে আমরা অ্যানজিনা পেইন বলে থাকি, এটা বুকের ঠিক মাঝখানে অনুভূত হয়, বাম পাশে নয়। হার্টে রক্তস্বল্পতার কারণে যে ব্যথা হয়, তা বুকের মাঝখান থেকে কখনও কখনও গলা, চোয়াল, পিঠের পেছনে এবং বাম বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে। রোগী সাধারণত বুকে ব্যথার চেয়ে অস্ব্বস্তি বা কেউ বুকটা চেপে ধরেছে— এ কথা বেশি বলে থাকেন। ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্টও হতে পারে।


হার্টের ব্যথার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, চলাফেরা, বিশেষ করে সিঁড়ি ভাঙতে গেলে ব্যথা তীব্রতর হতে থাকে এবং বিশ্রাম নিলে ব্যথা অনেকটা কমে আসে। টেনশন করলে কিংবা একবারে বেশি পরিমাণ খেলে, এমনকি ঠাণ্ডা বাতাসের কারণেও অনেকের এ ধরনের ব্যথা বাড়তে পারে। হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথার পাশাপাশি ঘাম হতে পারে, বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে।

🏷 পেটের আলসার ও বুকে ব্যথাঃ
হাইপার এসিডিটি বা পেটের আলসার বা পেপটিক আলসারের সমস্যাকে সাধারণ মানুষ গ্যাস্ট্রিক বলে থাকেন। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়ও বুকে ব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝবরাবর নিচের দিকে অনুভূত হয়। রোগের তীব্রতায় অনেক সময় তা পুরো বুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভাজাপোড়া খেলে, খালি পেটে থাকলে এ ধরনের ব্যথা আরও বেড়ে যায়। রেনিটিডিন বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের ওষুধ খেলে এ জাতীয় ব্যথা কমে যায়। হার্টের ব্যথা কখনও এসব ওষুধে ভালো হয় না।

🏷 বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যা এবং বুক ব্যথাঃ
বুকের হাড়ে সমস্যা হলে বুকে ব্যথা হতে পারে। বুকের আর্থ্রাইটিস, হাড়ের ইনফেকশন বা প্রদাহ হলে ব্যথা হয়। এ ছাড়া বুকের মাংসে আঘাত লাগলে বুকে ব্যথা হতে পারে। এ ধরনের ব্যথা নড়াচড়া করলে বাড়ে এবং ব্যথানাশক ওষুধ খেলে কমে। যারা খেলাধুলা করেন, ড্রাইভিং এবং ভারী কাজ করা যাদের পেশা, তাদের বুকে ব্যথা হতে পারে। যারা হঠাৎ ব্যায়াম শুরু করেন, প্রাথমিক অবস্থায় তাদেরও বুকে ব্যথা হতে পারে। এসবই বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। বিশ্রাম নিলে, ব্যথার ওষুধ খেলে এ জাতীয় ব্যথা সেরে যায়।

🏷 খাদ্য নালির সমস্যা ও বুকে ব্যথাঃ
খাদ্য নালির সমস্যায়ও বুকে ব্যথা হতে পারে। যেমন- খাদ্য নালির ইনফেকশন, খাদ্য নালির স্পাজম ইত্যাদি কারণে বুকে ব্যথা হয়। চিত হয়ে শুয়ে থাকলে, খাওয়া ও পানি পান করার সময় এ ব্যথা বাড়তে পারে। এ ব্যথার ধরন অনেকটা রক্তস্বল্পতা জনিত বুকে ব্যথার মতোই এবং অনেক সময় ব্যায়াম করলে বেড়ে যেতে পারে।

🏷 শ্বাসনালির সমস্যা ও বুকে ব্যথাঃ
অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগে শ্বাসনালির স্পাজম হতে পারে। এ রোগে বুকে চাপ চাপ লাগে এবং বিশ্রাম নিলে কমে যায়। হার্টে রক্তস্বল্পতা জনিত ব্যথার সঙ্গে এ ব্যথার অনেক মিল আছে। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যথার পাশাপাশি কাশি, বুকে চিঁ চিঁ আওয়াজ হতে পারে। ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা, যেমন_ নিউমোনিয়া, ফুসফুসে পানি ঢোকা বা যক্ষ্মা ও ক্যান্সার ইত্যাদি রোগেও বুকে ব্যথা হতে পারে।

🏷 দুশ্চিন্তার সঙ্গী বুকে ব্যথাঃ
যারা প্রায়ই টেনশনে ভোগেন, তারা সব সময় বুকে একটা চাপ অনুভব করেন। বিশ্রাম নিলে, রাতে ভালো ঘুম হলে এ ব্যথা কিছুটা কমে আসে। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে যতদূর সম্ভব দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা উচিত। টেনশনের সবচেয়ে খারাপ দিক হলো, আগে থেকে হার্টের সমস্যা থাকলে টেনশনে তা আরও বেড়ে যায়। ছোট বাচ্চারা নিঃসঙ্গ অবস্থা, অনিশ্চয়তা, ভীতি বোধ, স্কুলভীতি, পরীক্ষাভীতি এসব কারণে বুকে ব্যথার কথা বলে থাকে।

আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা এখন অনেক বেড়েছে। তবে অতি সচেতনতা অনেক সময় বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে। বুকে ব্যথাও এমন একটি বিষয়। অতি স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে সামান্য বুকে ব্যথায় আমরা বুঝে পাই না কী করব, কাকে দেখাব। মেডিসিন না হার্ট স্পেশালিস্ট, সবচেয়ে বড় স্পেশালিস্ট কে ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে আমরা খেই হারিয়ে ফেলি। এরপর লোকজনের অনাবশ্যক বাড়তি উপদেশ তো আছেই। তবে বুকের ব্যথা একেবারে মামুলি বিষয় নয়। মাথায় পানি ঢেলে অথবা বুকে তেল মালিশ করে যে সমস্যাটি দূর হবে, তা-ও নয়। এ জন্য অযথা অস্থির না হয়ে সময় মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Thursday, January 3, 2019

মধুতেই ৭ জটিল সমস্যার সমাধান!!

নানা গুণের মধুর উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানি। গবেষণায় দেখা গেছে, মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি।


হৃদরোগ থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত প্রায় সব কিছুতেই মধু-দারুচিনির মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকরী। জেনে নিতে পারেন, মধু খেলে যে ৭ জটিল সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

১) হৃদরোগঃ হার্ট সুস্থ্য রাখার জন্য দারুচিনি ও মধুর পানির কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস মধু ও দারুচিনি মিশ্রিত পানি পান করলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। এই মিশ্রণ রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

২) কোলেস্টরলঃ এক কাপ চায়ের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে তিন টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এটি রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা অন্তত ১০ শতাংশ কমেয়ে দেবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এই মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর।

৩) পিত্ত থলিতে সংক্রমণঃ মধু-দারুচিনির মিশ্রণ পিত্ত থলির সংক্রমণ রোধ করতে সক্ষম। মধু দারুচিনিতে অ্যান্টি ব্যাক্টোরিয়াল উপাদান আছে, যা পিত্ত থলিকে বাইরের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে।

৪) বাত/আর্থারাইটিস-এর সমস্যাঃ একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মধু দারুচিনির পানি পান করার ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাতের ব্যথা কমে যায়। এক গ্লাস গরম পানিতে দুই টেবিল চামচ মধু আর এক টেবিল চামচ দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এই পানি প্রতিদিন নিয়ম করে সকালে ঘুম থেকে উঠে আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি আপনার বাতের ব্যথা কমিয়ে দেবে।

৫) চুল পড়া রোধঃ অলিভ অয়েলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ দারচিনির গুঁড়া মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এটি চুলের ফাঁকা জায়গায় লাগান (যেখান থেকে চুল পড়ে গেছে সেখানে)। ১৫ মিনিট পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

৬) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করতেঃ উষ্ণ গরম পানিতে মধু ও দারচিনি মেশান। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণ পান করুন। এটি আপনার মুখের দুর্গন্ধ কাটাতে সাহায্য করবে।

৭) ওজন কমাতেঃ শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও মধু দারচিনির জুড়ি মেলা ভার। একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দারচিনি ও মধু খুব দ্রুত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন দারচিনি গুঁড়ো ও মধু দিয়ে ফোটানো এক গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। এটি আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, January 2, 2019

যেসব সবজিতে তাড়াতাড়ি লম্বা হয়!!

আমাদের শারীরিক বৃদ্ধির একটি নির্দিষ্ট বয়স থাকে। তবে উচ্চতা ঠিকমতো বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক খাওয়া দাওয়ার ভূমিকা রয়েছে। শরীর ঠিক মতো পুষ্টি না পেলে আপনার যতটুকু লম্বা হওয়ার উচিত, ততটুকু বৃদ্ধি নাও হতে পারেন। 

সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত আর মেয়েদের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এমন কিছু সবজি আছে, যেগুলি শরীরের বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজিগুলোর মধ্যে ঢেঁড়স অন্যতম। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

👉 শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

👉 মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না।

👉 বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

👉 পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

👉 সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই।

👉 উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্রোকলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]