Total Pageviews

Friday, November 8, 2013

প্রি-একলাম্পশিয়া

প্রি-একলাম্পশিয়া গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ অর্থাত্‌ ৫ মাস পর থেকে দেখা দেয়৷


কারণঃ
*) একবার প্রি-একলাম্পশিয়া হলে
*) প্রি-একলাম্পশিয়া পরিবারে কারো হলে
*) পরিবারে কারো উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
*) যাঁরা বেশি বয়সে মা হন তাদের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
*) উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং নেফ্রাইটিস রোগীদের

লক্ষণঃ
*) রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া৷ রক্তচাপ সাধারণত ১৪০/ঌ০ (মিলিমিটার) এর বেশি থাকে
*) প্রস্রাবের সাথে প্রোটিন (আমিষ) জাতীয় পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া
*) হাত-পায়ে পানি আসা
*) মাথা ব্যথা
*) অনিদ্রা
*) চোখে ঝাপসা দেখা
*) প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া
*) বমি
*) পেটে ব্যথা
*) প্রি-একলাম্পসিয়া হওয়ার শুরুতেই শরীরে ওজন বাড়তে থাকে
*) সপ্তাহে আধা কেজি ওজন বৃদ্ধি পায়

চিকিত্‌সাঃ 
*) প্রি-একলাম্পশিয়া আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত চেকআপ করানো দরকার
*) খাবারের সঙ্গে আলাদা লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে
*) প্রোটিন এবং ক্যালোরি যুক্ত খাবার খেতে হবে
*) পুষ্টিকর নরম খাবার খেতে হবে
*) রাতে গড়ে ৮ ঘণ্টা এবং দিনে ২ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে
*) পা ফুলে গেলে পা দুটো বালিশের উপর উঁচু করে রেখে ঘুমাতে হবে
*) ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঘুমের ওষুধ এবং প্রেসারের ওষুধ খেতে হবে
*) রক্তচাপ, ওজনের চার্ট তৈরি করতে হবে
*) প্রস্রাবের সঙ্গে প্রোটিন যাচ্ছে কি না তার চার্ট করতে হবে
*) বাচ্চার অবস্থাও বারবার দেখতে হবে
*) প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে

সঠিক সময়ে চিকিত্সা না করালে নিম্নলিখিত সমস্যা হতে পারে

মায়ের সমস্যাঃ
*) প্রস্রাব না হওয়া অথবা অল্প হওয়া
*) চোখে কম দেখা এমনকি অন্ধ হয়ে যাওয়া
*) বাচ্চা প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া
*) একলাম্পশিয়া বা খিঁচুনি হওয়া

শিশুর সমস্যাঃ
*) বাচ্চা মাতৃগর্ভে মারা যেতে পারে
*) বাচ্চার বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না
*) জণ্মের সময় শ্বাসকষ্ট হবে

প্রতিরোধঃ
*) গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত প্রসবপূর্ব চেক-আপের ব্যবস্থা করা
*) গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টিকর খাবার ও বিশ্রাম নিশ্চিত করা

প্রসবপূর্ব চেক-আপের সময় শারীরিক ওজন ও রক্তচাপ, পায়ে পানি আসে কিনা, প্রস্রাবে এলবুমিন যায় কিনা এগুলো পরীক্ষা করা উচিত৷

ল্যাব পরীক্ষাঃ
*) প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা
*) ২৪ ঘণ্টায় প্রস্রাবের প্রোটিন পরীক্ষা
*) রক্তে ইউরিয়া, ইউরিক এ্যাসিড এবং ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ দেখা
*) এসজিপিটি পরীক্ষা
*) পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে বাচ্চার অবস্থা দেখা৷
      

ঔষুধ সেবন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেজিষ্টার চিকিত্‌সকের পরামর্শ নিন। আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।
Share:

0 comments:

Post a Comment

Follow by Email

স্বাস্থ্য কথা. Powered by Blogger.

Blog Archive