Friday, October 10, 2014

দাঁত ও মাড়ির যত্নে অব্যর্থ ৫ টি হারবাল উপাদান!

‘দাঁত থাকতে দাঁতের মূল্য বোঝে না’- কথাটা কিন্তু একেবারে মিথ্যা না। অনেকেই দাঁতের সঠিক যত্ন নেন না। ফলে নানা রকম দাঁত ও মাড়ির রোগে আক্রান্ত হন। আর ছুটতে হয় দাঁতের ডাক্তারের কাছে। অকালেই হারাতে হয় দাঁত। অথচ দাঁতের যত্ন নিতে আমাদের চারপাশেই রয়েছে প্রাকৃতিক সব উপাদান। হাত বাড়ালেই যে গুলো পাওয়া যায়। একটু সচেতন হলে আর কিছু নিয়ম মেনে চললেই ভালো থাকবে আপনার দাঁত ও মাড়ি। আর সুস্থ থাকবেন আপনি।



জেনে নিন দাঁত ও মাড়ির রোগে ৫ টি ভেষজ দাওয়াইঃ

 নিমঃ নিমের হার্বাল গুণ আপনার অজানা নয়। নিমের ডাল প্রকৃতির সর্বোৎকৃষ্ট দাঁতন। নিয়মিত নিমের দাঁতনে দাঁত মাজলে দাঁত ও মাড়ি উভয়ই সুস্থ থাকে। রক্ষা পায় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন থেকে। চার-পাঁচটা নিম পাতা পানিতে সেদ্ধ করে, সেই পানিতে একচিমটি লবণ দিয়ে প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুলকুচি করার অভ্যাস করলে আপনার দাঁত ও মাড়ি থাকবে সুস্থ-সবল।

★ যষ্টিমধুঃ যষ্টিমধুর ফল ও মূলে রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান লিকোরিসিডিন আর লিকোরিসোফ্লাভিন। এরা মুখ গহ্বরে জীবাণুর বৃদ্ধি দমন করে এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে দেয় না। বাজারে যষ্টিমধুর গুঁড়া পাওয়া যায়। প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করার সময় সামান্য পরিমান যষ্টিমধুর গুঁড়া দিয়ে ব্রাশ করলে দাঁত ও মাড়ির রোগ উপশম হবে।

★ তুলসীঃ তুলসীর রয়েছে প্রচুর ঔষধিগুণ। এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান তুলসীতে আছে। দাঁতের প্লাক থেকে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে তুলসী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তুলসীর দুটি পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে ফেলে দিন। আপনার নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হবে। মাড়ির অসুখেও উপকার পাবেন।

★ পেয়ারা পাতাঃ দাঁত ব্যথায় পেয়ারা পাতা দারুন ওষুধ হিসেবে কাজ করে। মাড়ির রোগেও পেয়ারা পাতা উপশম দেয়। কিছু পেয়ারা পাতা সেদ্ধ করা গরম পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের ব্যথায় আরাম মিলবে।

★ লবঙ্গঃ লবঙ্গ হচ্ছে দাঁত ও মাড়ির যত্নে সবচেয়ে ভালো উপদান। এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। নিঃশ্বাসে সজীবতা আনে। লবঙ্গতে ইউজিনল নামক উপাদান আছে। এন্টিসেপটিকের কাজ করে। মুখের ক্ষত, মাড়ির ঘা দূর করতে লবঙ্গের তুলনা হয় না। মাড়ি বা মুখের ক্ষতে লবঙ্গ তেল মাখলে দ্রুত ক্ষত সেরে যায়। আর একটু লবঙ্গ মুখে রাখলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

0 comments:

Post a Comment